মোমিন ইসলাম সরকার,দেবীগঞ্জ পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ-
সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দমনে উদাসীন থাকায় দেবীগঞ্জ উপজেলায় মহিলা বিষয়ক অফিসে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সুবিধাভোগী ব্যক্তিরা। বারবার এসেও সেবা না পেয়ে ঘুরে যেতে হয় তাদের।
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৬ বছর থেকে নেই স্থায়ী মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন রয়েছেন পঞ্চগড় জেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ওয়াহেদুজ্জামান, এতে করে রীতিমতো সেবা পাচ্ছেন না দেবীগঞ্জ উপজেলার সাধারন মানুষ।
দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পদে কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশু বিষয়ক বিভিন্ন সহায়তা প্রত্যাশীরা।
জানা গেছে, দেবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। বর্তমানে পঞ্চগড় জেলা থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে এ উপজেলার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ সেবাগ্রহীতাদের।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বলেন, তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দেবীগঞ্জ উপজেলার কার্যক্রম দেখভাল করছেন। জনবল সংকটের কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কর্মকর্তা না থাকায় নারী উন্নয়ন,ভাতা কার্যক্রম,প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। অফিসে গিয়ে অনেকেই নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন।
এদিকে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মোঃ সাইফুল ইসলাম হিসাব রক্ষক ও ক্রেডিট সুপারভাইজার হিসেবে যোগদান করেন ।যোগদান করলেও তিনি বেশিদিন দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে এবং মামলার মুখোমুখি হন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই ঘটনায় তিনি এখনও কারাগাড়ে আছেন ,।বর্তমানে তিনিও নেই অফিস কক্ষে ঝুলছে তালা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দেবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়মিত সেবা কার্যক্রমে স্থবিরতা রয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও সময়মতো নিষ্পত্তি হচ্ছে না।
সচেতন মহল বলছেন, দ্রুত স্থায়ী মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে কার্যক্রম স্বাভাবিক করা না হলে নারী উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও ব্যাহত হবে। তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।