মোঃ উজ্জল শেখ বিশেষ প্রতিনিধিঃ- ৬ষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের ২য় পর্যায়ে নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাচনে অনিয়ম পেশী শক্তির ব্যবহার, ভোটে কারচুপি, সুষ্ঠ নির্বাচন না হওয়ার প্রতিবাদে পুনরায় নির্বাচনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাচনের পরাজিত প্রার্থী তোফায়েল মাহমুদ তুুুফান(ঘোড়া প্রতীক)।
২২ মে (বুধবার) বিকালে নড়াইল পৌরসভাধীন আলাদাতপুরস্থ নির্বাচনী প্রচার কেন্দ্রে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। এ সংবাদ সম্মেলনের সময় ভোটাররা সহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তোফায়েল মাহমুদ তুফান বলেন, নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাচনে আমি প্রার্থী হবার পর থেকে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। নির্বাচনী কাজ শুরুর পর থেকে আমার নেতা কর্মীদের ভয় ভীতি হুমকি দিতে থাকে জেলা আওয়ামী লীগের একটি গ্রুপ। এর পর বিজয়ী প্রার্থী মো. আজিজুর ভুঁইয়ার (আনারস প্রতিক) পক্ষে প্রকাশ্যে বিভিন্ন মিছিল মিটিং করেন সংসদ হুইপের বাবা গোলাম মোর্তজা স্বপন ।
নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সংসদ হুইপ মাশরাফি বিন মোর্তজার বিরুদ্ধে আমি লিখিত অভিযোগ দিলে আমার কাছে তথ্য উপাত্ত থাকার সত্তে¦ও রিটানিং অফিসার কোন তথ্য না চেয়ে আমার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে বাতিল করে দেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ২১ মে নির্বাচনের দিন মাইজপাড়া ইউনিয়নের চারিখাদা, মাইজপাড়া, বোড়ামাড়া, দূর্গাপুর এবং চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের সিমানন্দপুর, ফেদিবাজার কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্ট বের করে দেওয়াসহ ব্যালট পেপারে সিল মারা ও জাল ভোট দেওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
যেখানে উপজেলায় মোট ৩৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। সেখানে বিজয়ী প্রার্থী মো. আজিজুর ভুইয়ার (আনারস প্রতীক) নিজের ভোট কেন্দ্র সিমানন্দপুরের ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
নড়াইল সদর থেকে ২০ কিলোমিটার দুরের কেন্দ্র থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল কন্টোল রুমে পৌছালেও কন্টোল রুম থেকে ১ ঘণ্টার পথের সিমানন্দপুরের কেন্দ্রের ফলাফল ৫ ঘণ্টা পরে কন্টোল রুমে এসে পৌঁছায়। তিনি ঔসব কেন্দ্রের ফলাফল অনিয়ম দেখে পুনরায় নির্বাচনের জোর দাবী জানান।
উল্লেখ্য, ২১ মে নির্বাচনে প্রার্থী ৪৫ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে মো. আজিজুর ভুঁইয়া(আনারস প্রতীক) বিজয়ী লাভ করেন ও ৪২ হাজার ৩০৬ ভোট পেয়েছেন তোফায়েল মাহমুদ তুফান(ঘোড়া প্রতীক)।