মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ-
মাদারীপুর শহরের একটি চুরির ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখিয়ে চোর অপবাদ দিয়ে ডাসার উপজেলার কাজী বাকাই ইউনিয়নের পূর্ব খান্দুলী এলাকার বাসিন্দা রুবেল ফকিরের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবি,পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী চাঁদার টাকা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ভুক্তভোগীর বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার শাহ আলম ফকিরের বিরুদ্ধে।
শনিবার (২০ জুন ) সকালে ডাসার উপজেলার পূর্ব খান্দুলী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ডাসার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা'যায়, মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার কাজী বাকাই ইউনিয়নের পূর্ব খান্দুলী এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম ফকির দেড় লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে মাদারীপুর শহরে একটি চুরির ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজের ছবিতে থাকা ব্যাক্তির সাথে কাজী বাকাই ইউনিয়নের পূর্ব খান্দুলী এলাকার মোশারফ ফকিরের ছেলে রুবেল ফকিরের চেহারার মিল আছে এবং রুবেল ফকিরকে সেই ছবি দেখিয়ে দেড় লাখ টাকা দাবি করে একপর্যায়ে রুবেল ফকির সিসিটিভির ফুটেজে যে ব্যাক্তির ছবি দেখা যায় সেই ব্যাক্তি রুবেল ফকির নয় বলে দাবি করার পরেও শাহ আলম ফকির বিভিন্ন ভাবে রুবেল ফকিরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে যদি টাকা না দেয় তাহলে তাকে চোর বলে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে।
রুবেল ফকির চুরির ঘটনার সাথে জড়িত নয় বলে দাবি করলে শাহ আলম ফকির রুবেল ফকিরের সাথে তর্কে জড়িয়ে পরে এবং দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে শাহ আলম ফকির,মিঠু ফকির,জামাল বেপারী,নিলয় বেপারীসহ তাদের লোকজনেরা রুবেল ফকিরের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী রুবেল ফকির। হামলার খবর পেয়ে ডাসার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগী রুবেল ফকির বলেন, শাহ আলম ফকির কোন এক ব্যাক্তির ছবি দেখিয়ে সেই ছবি আমার বলে, দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে আর সেই টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমার বাড়িতে তারা হামলা ও লুটপাট চালায় আমি সরকার ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।
ভুক্তভোগী রুবেল ফকিরের ভাই মিলন ফকির বলেন,আমার ভাইকে মিথ্যা চোরের অপবাদ দিয়ে শাহ আলম ফকির চাঁদা চেয়েছে সেই টাকা দিতে না পারায় আমার উপর এবং আমাদের বসতবাড়ীতে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে সব কিছু নিয়ে গেছে আমরা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে শাহ আলম ফকির মুঠোফোনে জানান,আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
এবিষয়ে ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান মাহমুদ মুঠোফোনে জানান,এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি,অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।