স্টাফ রিপোর্টার, এ,এস,মামুনঃ- বরিশালের গৌরনদী সাব-রেজিষ্টারের সাথে দলিল লেখকদের চলমান দ্বন্দে গত নয়দিন ধরে জমির দলিল আদান-প্রদান বন্ধ রয়েছে। এতে করে চরম বিপাকে পরেছেন জমির ক্রেতা-বিক্রেতারা। ঘটনাটি বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার।
১৮ মার্চ সোমবার সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৩০ জন দলিল লেখক সাব রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে কলম বিরতির মাধ্যমে ধর্মঘট পালন করছেন।
একাধিক দলিল লেখকরা অভিযোগ করে বলেন, জেলার হিজলা উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার বাবু সঞ্জয় বড়াল গত ৬ মার্চ গৌরনদী সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে খন্ডকালীণ সাব-রেজিষ্টার হিসেবে যোগদান করেন।ওইদিনই থেকেই তিনি (সাব রেজিষ্টার) গৌরনদীর নবীন ও প্রবীন দলিল লেখকদের সাথে ঔদ্ব্যত্বপূর্ণ আচরন শুরু করেছেন। এমনকি দলিল লেখকদের শোকজ, সাইজ ও বহিস্কার করারও হুমকি দিয়েছেন। ফলে বাধ্য হয়ে সাব-রেজিস্টার সঞ্জয় বড়ালের অপসারণের দাবিতে ৩০ জন দলিল লেখক গত ১০ মার্চ থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য কলম বিরতি ও অফিসের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে আসছেন। গৌরনদীর দলিল লেখক সমিতির সভাপতি নাসির উদ্দিন মিয়া বলেন - সাব-রেজিস্ট্রার বাবু সঞ্চয় বড়াল মহোদয়ের অসদাচরণ ও দুর্নীতির প্রতিবাদে দলিল লেখকদের কলম বিরতি চলছে, সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচী চলমান থাকবে।
একাধিক জমি ক্রেতা-বিক্রেতারা বলেন, সাব-রেজিস্টার ও দলিল লেখকদের কলম বিরতির কারনে গত নয়দিন যাবত দলিল সম্পাদন বন্ধ রয়েছে। এতে করে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। খন্ডকালীণ সাব-রেজিস্ট্রার বাবু সঞ্জয় বড়াল সাংবাদিকদের বলেন, গৌরনদীতে যোগদানের পর পরই দলিল লেখকদের বলে দিয়েছি, সরকারি নিয়ম-নীতি অমান্য করে আমি কোন দলিল রেজিষ্ট্রি করবো না। আর এতেই দলিল লেখকরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।তিনি আরও বলেন,দলিল লেখকদের অনিয়মকে সমর্থন না করার কারণে তারা আমার বিরদ্ধে অপপ্রচার করে আসছে।
এ ব্যাপারে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু আবদুল্লাহ খান বলেন,দলিল লেখকদের পক্ষ থেকে আমি একটি লিখিত অভিযোগের কপি পেয়েছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।